অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কী কী নথি লাগবে: সম্পূর্ণ তালিকা

অন্নপূর্ণা ভান্ডারে আবেদনের জন্য সাধারণত লাগে আধার কার্ড, নিজের নামে ব্যাঙ্ক পাসবই, পশ্চিমবঙ্গের ঠিকানার প্রমাণ, সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং প্রযোজ্য হলে জাতিগত শংসাপত্র। সব নথিতে নাম ও জন্মতারিখ এক হতে হবে।

স্বাধীন গাইড, সরকারি ওয়েবসাইট নয়। আবেদন শুধু সরকারি পোর্টালে করুন।

নথির ছবি: পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক পাসবই ও কাগজের ফর্ম

নথি না থাকা বা অমিলের জন্যই অনেক আবেদন আটকে যায়। আবেদনের আগে এই পাতা দেখে সব গুছিয়ে নিন। টিক দিয়ে প্রিন্ট করতে পারেন আমাদের নথির চেকলিস্ট টুল (ইংরেজি) থেকে।

সরকারি নথির তালিকা

সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তালিকা (যাচাই না হওয়া পর্যন্ত “নিশ্চিত হওয়া বাকি” দেখাবে):

নিশ্চিত হওয়া বাকি, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন

সাধারণত যে নথি লাগে

নথিকেন লাগেটিপস
আধার কার্ডপরিচয়, বয়স ও ডিবিটিনাম ও জন্মতারিখ সঠিক কিনা দেখুন
ব্যাঙ্ক পাসবইয়ের প্রথম পাতাডিবিটিতে টাকা পাঠানোর জন্যঅ্যাকাউন্ট নিজের নামে ও চালু
পশ্চিমবঙ্গের ঠিকানার প্রমাণস্থায়ী বাসিন্দা প্রমাণেপশ্চিমবঙ্গের ঠিকানা সহ আধার, ভোটার কার্ড ইত্যাদি
পাসপোর্ট সাইজ ছবিআবেদনের জন্যসাম্প্রতিক, রঙিন, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড
জাতিগত শংসাপত্রশুধু SC/ST হলে ও চাওয়া হলেপশ্চিমবঙ্গের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের দেওয়া
স্বাস্থ্য সাথী / রেশন কার্ডকখনো বাড়তি প্রমাণ হিসেবেথাকলে সঙ্গে রাখুন
মোবাইল নম্বরওটিপি ও এসএমএসদীর্ঘদিন থাকবে এমন নম্বর

আধার কার্ড

  • নামের বানান পাসবইয়ের সঙ্গে মিলছে কিনা,
  • জন্মতারিখ ঠিক আছে কিনা (এতে বয়সের যোগ্যতা ঠিক হয়, নিশ্চিত হওয়া বাকি, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন),
  • ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গের কিনা,
  • মোবাইল নম্বর আধারে যুক্ত কিনা।

ভুল থাকলে আবেদনের আগে আধার সেবা কেন্দ্রে ঠিক করুন।

ব্যাঙ্ক পাসবই ও ডিবিটি

  • অ্যাকাউন্ট নিজের নামে হতে হবে, জয়েন্ট বা পরিবারের অন্য কারো নয়।
  • অ্যাকাউন্ট চালু থাকা চাই।
  • ডিবিটির জন্য আধার সিডিং থাকা চাই, ব্যাঙ্ক শাখায় জিজ্ঞাসা করুন।

বিস্তারিত: পেমেন্ট স্ট্যাটাস ও ডিবিটি।

ছবি ও সইয়ের নিয়ম (অনলাইন ফর্ম)

  • ফরম্যাট: ছবির জন্য JPG/JPEG; নথির জন্য পোর্টাল যা অনুমতি দেয় (PDF বা JPG)।
  • ছবি: সাম্প্রতিক, রঙিন, মুখ স্পষ্ট, হালকা ব্যাকগ্রাউন্ড।
  • সই: সাদা কাগজে কালো বা নীল কালিতে, কাছ থেকে ক্রপ করা।
  • ফাইলের সাইজ: পোর্টালে লেখা সর্বোচ্চ সাইজের মধ্যে রাখুন।
  • স্পষ্টতা: চার কোণ দেখা যাবে, ছায়া থাকবে না, লেখা পড়া যাবে।

কাগজের আবেদনে

  • প্রতিটি নথির ফটোকপি নিন।
  • প্রতিটি কপিতে সই ও তারিখ দিন।
  • ফর্মের বাক্সে ছবি আঠা দিয়ে লাগান (মুখের উপর স্টেপল করবেন না)।
  • আসল নথি সঙ্গে রাখুন, আধিকারিকরা দেখতে চাইতে পারেন।

এরপর

সাধারণ প্রশ্নোত্তর

অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কী কী নথি লাগবে?
সাধারণত আধার কার্ড, নিজের নামে ব্যাঙ্ক পাসবই, পশ্চিমবঙ্গের ঠিকানার প্রমাণ ও সাম্প্রতিক ছবি। সরকারি তালিকা: নিশ্চিত হওয়া বাকি, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
অনলাইন ফর্মে ছবির সাইজ কত হবে?
সরকারি পোর্টালের আপলোড পাতায় যে সাইজ লেখা থাকে সেটাই মানুন। সাধারণভাবে সাদা বা হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে স্পষ্ট রঙিন ছবি, JPG ফরম্যাটে, নির্দিষ্ট সাইজের মধ্যে।
জাতিগত শংসাপত্র কি লাগবে?
সাধারণত শুধু তফসিলি জাতি / উপজাতি (SC/ST) হলে এবং ফর্মে চাইলে লাগে।
নথির কপিতে কি সই করতে হবে?
কাগজের আবেদনে প্রতিটি ফটোকপিতে সই ও তারিখ দিন (সেলফ-অ্যাটেস্ট)। অনলাইনে আসল নথির স্পষ্ট স্ক্যান আপলোড করুন।
আধার ও পাসবইয়ে নামের বানান আলাদা, কী করব?
আবেদনের আগে অমিল ঠিক করুন, সাধারণত ব্যাঙ্কে আধার অনুযায়ী নাম আপডেট করে। এই অমিল টাকা না আসার অন্যতম বড় কারণ।

তথ্যসূত্র

  • অন্নপূর্ণা ভান্ডারের সরকারি বিজ্ঞপ্তি (নথির তালিকা) (link to be confirmed)
স্ট্যাটাস চেক গাইড