অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কীভাবে আবেদন করবেন (অনলাইন ও অফলাইন)
অন্নপূর্ণা ভান্ডারে অনলাইনে আবেদন করা যায় সরকারি পশ্চিমবঙ্গ পোর্টালে (মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্টার, ফর্ম পূরণ, নথি আপলোড ও সাবমিট), অথবা অফলাইনে সরকারি ক্যাম্প বা বিডিও / পৌরসভা অফিসে কাগজের ফর্ম জমা দিয়ে। আবেদন বিনামূল্যে। শেষ তারিখ: নিশ্চিত হওয়া বাকি, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন।
স্বাধীন গাইড, সরকারি ওয়েবসাইট নয়। আবেদন শুধু সরকারি পোর্টালে করুন।
অন্নপূর্ণা ভান্ডারে আবেদন বিনামূল্যে, ফোন থেকে অনলাইনে, অথবা কাগজের ফর্মে অফলাইনে। এই পাতায় দুটো পদ্ধতিই ধাপে ধাপে, কী কী তৈরি রাখবেন এবং যে ছোট ভুলগুলোর জন্য বেশিরভাগ আবেদন বাতিল হয়, সব বলা হল।
আবেদনের আগে ৩টি জিনিস দেখে নিন
- আপনি কি যোগ্য? বয়সসীমা ও অন্য শর্ত দেখুন, যোগ্যতা।
- আগে থেকে লক্ষ্মীর ভান্ডার পান? হয়তো আবার আবেদন লাগবে না। আগে স্ট্যাটাস দেখুন। একই মহিলার একাধিক আবেদন বাতিলের বড় কারণ।
- নথি তৈরি? দেখুন প্রয়োজনীয় নথির তালিকা।
গুরুত্বপূর্ণ তারিখ
| বিষয় | তারিখ |
|---|---|
| আবেদন শুরু | নিশ্চিত হওয়া বাকি, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন |
| আবেদনের শেষ তারিখ | নিশ্চিত হওয়া বাকি, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন |
| প্রকল্প চালু | নিশ্চিত হওয়া বাকি, সরকারি বিজ্ঞপ্তি দেখুন |
আবেদনের সময় পেরিয়ে গেলে সাধারণত পরের সরকারি ক্যাম্পে আবেদন করা যায়, বিডিও বা পৌরসভা অফিসে জিজ্ঞাসা করুন।
পদ্ধতি ১: অনলাইনে আবেদন
সরকারি পোর্টাল: অন্নপূর্ণা ভান্ডার পোর্টাল (সরকারি লিঙ্ক যাচাই করা বাকি)
ধাপ ১: মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্টার
সরকারি পোর্টাল খুলুন (ঠিকানার শেষে .gov.in) এবং মোবাইল নম্বর ও ওটিপি দিয়ে রেজিস্টার করুন।
ধাপ ২: আবেদন ফর্ম খুলুন
লগইনের পর ড্যাশবোর্ডে অন্নপূর্ণা ভান্ডার বা “New application” খুঁজুন। কিছু সূত্র বলছে আবেদনটি পরিবারের তথ্য (সোশ্যাল রেজিস্ট্রি) ফর্মের সঙ্গে যুক্ত, যেখানে আগে পরিবারের সদস্যদের তথ্য দিতে হয়। পোর্টাল যে ক্রমে দেখায় সেভাবে চলুন।
ধাপ ৩: ব্যক্তিগত তথ্য
নাম, জন্মতারিখ, বাবা / স্বামীর নাম ও ঠিকানা আধার কার্ডে যেমন লেখা ঠিক তেমন লিখুন। সামান্য বানানের অমিলেও পরে যাচাইয়ে সমস্যা হয়।
ধাপ ৪: ব্যাঙ্কের তথ্য
নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও আইএফএসসি কোড দিন। অ্যাকাউন্টটি আবেদনকারীর নিজের নামে, চালু এবং ডিবিটির জন্য আধারের সঙ্গে সংযুক্ত (সিডেড) হওয়া উচিত। জয়েন্ট বা অন্যের অ্যাকাউন্ট দিলে সাধারণত বাতিল হয়।
ধাপ ৫: নথি আপলোড
চাওয়া নথিগুলোর স্পষ্ট ছবি বা স্ক্যান আপলোড করুন, পোর্টালে দেখানো সাইজের মধ্যে।
ধাপ ৬: প্রিভিউ দেখে সাবমিট
প্রিভিউ পাতায় প্রতিটি তথ্য মিলিয়ে নিন, সাবমিটের পর বদলানো সবসময় যায় না। ঘোষণায় টিক দিয়ে Submit চাপুন।
ধাপ ৭: প্রাপ্তিস্বীকার রাখুন
অ্যাপ্লিকেশন আইডি সহ প্রাপ্তিস্বীকার ডাউনলোড করুন বা স্ক্রিনশট নিন। এটা দিয়েই স্ট্যাটাস দেখবেন।
পদ্ধতি ২: অফলাইনে আবেদন
- সরকারি ক্যাম্প, বিডিও অফিস বা পৌরসভা / ওয়ার্ড অফিস থেকে বিনামূল্যে আসল ফর্ম নিন।
- নীল বা কালো কালিতে, আধারের সঙ্গে মিলিয়ে, বড় হাতের অক্ষরে পূরণ করুন।
- নথির স্ব-প্রত্যয়িত (সেলফ-অ্যাটেস্টেড) ফটোকপি যোগ করুন ও সাম্প্রতিক ছবি লাগান।
- ক্যাম্প / অফিসের কাউন্টারে জমা দিন।
- নম্বর সহ প্রাপ্তিস্বীকার স্লিপ অবশ্যই চেয়ে নিন।
যে ভুলে আবেদন বাতিল হয়
- নাম বা জন্মতারিখ আধারের সঙ্গে মেলে না
- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিজের নামে নয়, বন্ধ, বা আধার সিডিং নেই
- ভুল আইএফএসসি কোড
- ঝাপসা বা কাটা নথির ছবি
- দুবার আবেদন (একবার অনলাইনে, একবার অফলাইনে)
- দালালের বা বন্ধ হয়ে যাওয়া মোবাইল নম্বর
আবেদনের পর
- কয়েক সপ্তাহ পরপর স্ট্যাটাস দেখুন।
- ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চালু ও আধার-সংযুক্ত রাখুন, দেখুন পেমেন্ট স্ট্যাটাস।
- ফোন চালু রাখুন, যাচাইয়ের জন্য ফোন বা বাড়িতে আসা হতে পারে।
সাহায্য লাগলে বিডিও অফিস, পৌরসভা অফিস বা সরকারি ক্যাম্পে যান। কাউকে টাকা দিয়ে আবেদন করাবেন না।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর
অনলাইনে অন্নপূর্ণা ভান্ডারে কীভাবে আবেদন করব?
আবেদনের শেষ তারিখ কবে?
অফলাইনে কি আবেদন করা যায়?
আবেদন করতে কি কোনো ফি লাগে?
কোন মোবাইল নম্বর দেব?
তথ্যসূত্র
- সরকারি অন্নপূর্ণা ভান্ডার / সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল, পশ্চিমবঙ্গ সরকার (link to be confirmed)
- অন্নপূর্ণা ভান্ডারের সরকারি বিজ্ঞপ্তি (link to be confirmed)